ফুটবলে অফসাইড একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। আক্রমণকারী দল যাতে প্রতিপক্ষের গোলের কাছে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে সহজ সুবিধা না পায়, সেই উদ্দেশ্যে এই নিয়ম ব্যবহৃত হয়। তবে শুধু প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের সামনে থাকলেই একজন খেলোয়াড় অফসাইড হন না।
কখন একজন খেলোয়াড় অফসাইড অবস্থানে থাকেন?
সাধারণভাবে, সতীর্থ বল খেলার বা স্পর্শ করার মুহূর্তে আক্রমণকারী খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের অর্ধে থাকলে এবং বল ও দ্বিতীয়-শেষ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের তুলনায় গোললাইনের কাছাকাছি থাকলে তিনি অফসাইড অবস্থানে থাকতে পারেন। নিজের অবস্থান ছাড়াও পরবর্তী খেলায় তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু অফসাইড অবস্থানে থাকলেই কি ফাউল?
না। অফসাইড অবস্থানে থাকা নিজে অপরাধ নয়। খেলোয়াড় বল খেললে, প্রতিপক্ষকে প্রভাবিত করলে বা সেই অবস্থান থেকে সুবিধা পেলে অফসাইড অপরাধ হতে পারে। রেফারি পরিস্থিতি বিচার করে সিদ্ধান্ত নেন।
সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, একজন মিডফিল্ডার সতীর্থকে পাস দিলেন। পাস দেওয়ার মুহূর্তে আক্রমণকারী খেলোয়াড় বল এবং দ্বিতীয়-শেষ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের তুলনায় গোলের কাছে ছিলেন এবং পরে পাসটি খেললেন। অন্য শর্ত পূরণ হলে রেফারি অফসাইড দিতে পারেন। কিন্তু পাস দেওয়ার মুহূর্তে তিনি অনসাইড অবস্থানে থাকলে পরে দৌড়ে সামনে চলে যাওয়া সাধারণত অফসাইড নয়।
কোন পরিস্থিতিতে অফসাইড হয় না?
নিজের অর্ধে থাকা অবস্থায় খেলোয়াড় অফসাইড হতে পারেন না। সরাসরি গোল কিক, থ্রো-ইন বা কর্নার কিক থেকে বল পেলে অফসাইড অপরাধ হয় না। সিদ্ধান্তের জন্য বল খেলার মুহূর্তে খেলোয়াড়ের অবস্থান এবং তাঁর পরবর্তী ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
শেষ কথা
অফসাইড বুঝতে হলে সতীর্থ বল দেওয়ার মুহূর্তটি লক্ষ্য করুন। খেলোয়াড় কোথায় ছিলেন এবং তিনি খেলায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিলেন কি না, এই দুটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।